বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬

শৈত্যপ্রবাহ ছড়িয়ে পড়ছে, ১২ জেলায় সতর্কতা


দেশে চলমান শৈত্যপ্রবাহ আরও বিস্তৃতি লাভ করেছে। গতকাল ৯টি জেলায় সীমাবদ্ধ থাকলেও আজ বুধবার তা ৪টি বিভাগসহ অন্তত ১২টি জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শৈত্যপ্রবাহ বাড়লেও রাত ও দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য বেশি থাকায় শীতের অনুভূতি তুলনামূলক কম।

৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৬:৪২ পূর্বাহ্ণ 

শৈত্যপ্রবাহ ছড়িয়ে পড়ছে, ১২ জেলায় সতর্কতা
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

দেশে বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহ আরও বিস্তৃতি লাভ করেছে। দেশের ৮টি বিভাগের মধ্যে অর্ধেকের বেশি অঞ্চলে বর্তমানে শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী,  মঙ্গলবার যেখানে ৯টি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছিল,বুধবার তা বেড়ে ৪টি বিভাগসহ অন্তত ১২টি জেলায় বিস্তার লাভ করেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, বর্তমানে রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, নেত্রকোনা, মৌলভীবাজার, লক্ষ্মীপুর ও কুমিল্লা জেলার ওপর দিয়েও শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব চলছে।

এসব এলাকায় ভোর রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশা দেখা যাচ্ছে, যা যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে মহাসড়ক ও নদীপথে চলাচলকারী যানবাহনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

তবে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শৈত্যপ্রবাহ থাকলেও রাত ও দিনের তাপমাত্রার মধ্যে পার্থক্য তুলনামূলক বেশি হওয়ায় শীতের তীব্র অনুভূতি কিছুটা কম। দিনের বেলায় রোদের উপস্থিতি থাকায় অনেক এলাকায় শীতের কষ্ট কম অনুভূত হচ্ছে।

চলমান এই পরিস্থিতিতে আগামী ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখছে না আবহাওয়া অধিদপ্তর। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময়ের মধ্যে রাত ও দিনের তাপমাত্রায় সামান্য ওঠানামা হতে পারে। তবে মধ্য জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশার আধিক্য বজায় থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর কুয়াশাচ্ছন্ন সময়ে যান চলাচলের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি শীতজনিত রোগ থেকে বাঁচতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।