শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬

শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে রূপপুরের পথে ইউরেনিয়ামবাহী তিন লরি


বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্দেশে যাত্রা করেছে ইউরেনিয়ামবাহী তিনটি লরি। শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে লরিগুলো বিমানবন্দর এলাকা ছাড়ে।

৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ 

শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে রূপপুরের পথে ইউরেনিয়ামবাহী তিন লরি
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য আনা ইউরেনিয়ামের চালান নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে পাবনার উদ্দেশে নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার সকালে বিমানবন্দর থেকে তিনটি লরিতে করে ইউরেনিয়াম পরিবহন শুরু হয়। পুরো যাত্রাপথে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পাশাপাশি এসআরবি, পুলিশ এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। এর আগে শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য জ্বালানিবাহী একটি বিমান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিমানটি অবতরণের পর বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা ইউরেনিয়ামের চালান গ্রহণ করেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তখন জানিয়েছিলেন, নির্ধারিত নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে জ্বালানি রূপপুরে পৌঁছে দেওয়া হবে।

রূপপুর প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের জন্য আরও জ্বালানি দেশে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বরের মধ্যে আরও নয়টি ফ্লাইটে প্রথম ইউনিটের জন্য ৪৮টি এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ১৬৩টি ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বলি বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে।

রাশিয়া থেকে এসব পারমাণবিক জ্বালানি কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও ভারত হয়ে বাংলাদেশে আনা হবে বলে জানানো হয়েছে। এদিকে, প্রথম ইউনিটের জন্য আনা ইউরেনিয়ামবাহী বিমানটি পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহার করে বাংলাদেশে পৌঁছেছে। এর আগে ওই আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি পাওয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল।

তখন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার বলেছিলেন, আন্তর্জাতিক আইন ও বেসামরিক বিমান চলাচলের প্রটোকলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পটির দুটি ইউনিটের জন্য রাশিয়া থেকে পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে।