মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেক ভিডিও ও অপতথ্য রোধে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল গঠন করবে সরকার


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুল তথ্য, অপতথ্য, ফেক ভিডিও ও সাইবার বুলিংয়ের মাধ্যমে নিরপরাধ মানুষের সম্মানহানি ঠেকাতে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যমান আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

২১ জুলাই ২০২৬, ৪:২৬ অপরাহ্ণ 

ফেক ভিডিও ও অপতথ্য রোধে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল গঠন করবে সরকার
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুল তথ্য, অপতথ্য, ফেক ভিডিও এবং সাইবার বুলিংয়ের মাধ্যমে নিরপরাধ ও সম্মানিত মানুষের সম্মানহানি রোধে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যমান আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অপতথ্য ছড়ানো, ভুয়া ভিডিও তৈরি এবং সাইবার বুলিংয়ের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে অনেক নিরপরাধ ও সম্মানিত ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। জনগণকে এ ধরনের হয়রানি থেকে সুরক্ষা দেওয়া সরকারের দায়িত্ব এবং সেই লক্ষ্যেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অপতথ্য ও সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য রদবদল নিয়ে গণমাধ্যমে চলা আলোচনা সম্পর্কেও প্রশ্ন করা হয়। জবাবে উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে তিনি নিজেও গণমাধ্যম থেকেই খবর দেখেছেন এবং এর বাইরে তাঁর কাছে কোনো তথ্য নেই।

তবে তিনি বলেন, একটি কার্যকর সরকার পরিচালনার স্বার্থে প্রয়োজন হলে প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বা নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। যদি তাঁর মনে হয় কোনো মন্ত্রী বা উপদেষ্টা প্রত্যাশিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না, তাহলে জনগণের স্বার্থে তিনি প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনবেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য জনগণের সর্বোচ্চ কল্যাণ নিশ্চিত করা। কোনো সিদ্ধান্ত আরও কার্যকর করার সুযোগ থাকলে তিনি তা গ্রহণ করবেন। তবে সম্ভাব্য পরিবর্তন ১৮০ দিন পূর্তির পর হবে কি না, নাকি অন্য কোনো সময়ে হবে—এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।