সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ২৫ হাজারের বেশি হজযাত্রী, মৃত্যু ২
২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ণ
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষের ভোটের কালির দাগ মুছে যাওয়ার আগেই প্রধানমন্ত্রী তার দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই প্রায় ১১ লাখ কৃষকের দেড় হাজার কোটি টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘উন্নয়ন সংলাপ: কেমন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল চাই’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। সংলাপটি আয়োজন করে বৃহত্তর কুষ্টিয়া অফিসার্স ফোরাম।
মন্ত্রী জানান, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রকল্প চালু করা হয়েছে এবং প্রথম দিনেই ৩৮ হাজার কার্ড ইস্যু করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষি কার্ড উদ্বোধন এবং ঈদের আগেই ইমামদের জন্য মাসিক ভাতার পাইলট প্রকল্প চালু করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড সমাজ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একটি “বিপ্লবী অঙ্গীকার”। খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে একদিকে যেমন গভীর নলকূপের ওপর নির্ভরতা কমবে, অন্যদিকে পৃষ্ঠের পানিতে মাছ চাষের সুযোগ বাড়বে। এছাড়া খালের দুই পাশে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাজনৈতিক প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দোষারোপের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে উন্নয়নের রাজনীতিতে গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, বিদ্যুৎ সংকট ও মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ও বিরোধী দলের যৌথ উদ্যোগে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যেখানে উভয় পক্ষের পাঁচজন করে সদস্য রয়েছেন। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক বিরোধ থাকবেই, তবে উন্নয়নের প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়ন ও ন্যায্য অধিকার আদায়ে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বৃহত্তর কুষ্টিয়া অফিসার্স ফোরামের সভাপতি ও সিনিয়র সচিব (পিআরএল) ড. খ ম কবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। এছাড়া কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার সংসদ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।