চুয়াডাঙ্গায় অভিযানে আটক বিএনপি নেতার মৃত্যু: অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনা সদস্য প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন
৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, ৪:২২ অপরাহ্ণ
সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি), রংপুর-এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
এক শোকবার্তায় উপাচার্য মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী ও অসংখ্য গুণগ্রাহীর প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
শোক বিবৃতিতে উপাচার্য বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য ও আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক। তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি দেশ পরিচালনায় দৃঢ়তা, প্রজ্ঞা ও সাহসিকতার স্বাক্ষর রেখেছেন। গণতন্ত্র, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষায় তিনি আজীবন আপসহীন ভূমিকা পালন করেছেন। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও নিপীড়নের মধ্যেও তিনি কখনো আদর্শচ্যুত হননি, যা তাঁকে ইতিহাসে বিশেষ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো উন্নয়নে তাঁর সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ দেশের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বেগম খালেদা জিয়া বিশ্বাস করতেন শিক্ষিত ও সচেতন নাগরিকই একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি।
উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, একজন নারী নেত্রী হিসেবে তিনি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে বাংলাদেশের মর্যাদা সমুন্নত রেখেছেন। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব প্রদান এবং শক্তিশালী বিরোধী রাজনীতির ধারা গড়ে তোলায় তাঁর অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও সংগ্রামী জীবন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
শোক বিবৃতির শেষে উপাচার্য বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায়। তাঁর সাহস, ত্যাগ ও নেতৃত্ব জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাঁর অবদান ও স্মৃতি জাতির ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে।