শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা নিয়ে রিট খারিজের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে নাহিদ ইসলামের আবেদন


দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে করা রিট খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ 

ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা নিয়ে রিট খারিজের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে নাহিদ ইসলামের আবেদন
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে দায়ের করা রিট সরাসরি খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) নাহিদ ইসলামের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আগামীকাল রোববার চেম্বার বিচারপতির আদালতে এ আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে।

এর আগে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট সরাসরি খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু ও অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা। অপরদিকে, ড. এম এ কাইয়ুমের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান এবং ব্যারিস্টার কাজী আক্তার হোসেন। এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন নাহিদ ইসলাম। রিটে ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা স্থগিত চেয়ে আবেদন করা হয়। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।

উল্লেখ্য, এর আগে ঢাকা-১১ আসনে ১২ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম- উভয়ের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।