এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬: কঠোর নীতিমালায় নতুন নিয়ম ও শাস্তির বিধান
৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত (৩১ ডিসেম্বর এবং ১ ও ২ জানুয়ারি) তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার। এছাড়া বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সারাদেশে সাধারণ ছুটি থাকবে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ এ তথ্য জানান।
এর আগে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন বেগম খালেদা জিয়া। বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। পরে সকাল সোয়া ৯টায় এভারকেয়ার হাসপাতালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “এই সংবাদটা নিয়ে সবার সামনে দাঁড়াতে হবে, তা কখনো ভাবিনি। আমরা এবারও আশা করেছিলাম তিনি আগের মতো সুস্থ হয়ে উঠবেন। ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলতে হচ্ছে- আজ ভোর ৬টায় গণতন্ত্রের মা, আমাদের অভিভাবক, জাতির অভিভাবক আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন।”
মৃত্যুর সময় বেগম খালেদা জিয়ার শয্যাপাশে ছিলেন তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান এবং প্রয়াত ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান সিঁথি।
স্বজনদের মধ্যে ছোট ভাই শামীম এসকান্দার ও তাঁর স্ত্রী, বড় বোন সেলিনা ইসলামসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও শেষ সময়ে হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরাও সেখানে ছিলেন।
সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসসহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। পাশাপাশি তাঁর কিডনি, ফুসফুস, হৃদ্যন্ত্র ও চোখের দীর্ঘস্থায়ী সমস্যাও ছিল। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্বস্তরের মানুষ এই নেত্রীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।