এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬: কঠোর নীতিমালায় নতুন নিয়ম ও শাস্তির বিধান
৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ৮:২৯ অপরাহ্ণ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণাকে সামনে রেখে সব ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন জনসমাবেশ ও আন্দোলন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সরকার জানায়, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি দ্রুত এগিয়ে চলছে। এ লক্ষ্যে তফসিল ঘোষণার পরপরই নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা জোরদারে সশস্ত্র বাহিনী, র্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও আনসারসহ বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য মাঠে থাকবে- যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।ইতোমধ্যে দেড় লাখের বেশি পুলিশ সদস্যকে রেকর্ডসংখ্যক বিশেষ নির্বাচনী প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে বলা হয়, তফসিল ঘোষণার পর যেকোনো ধরনের অনুমোদনহীন জনসমাবেশ, সড়ক অবরোধ বা সাধারণ মানুষের জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করতে পারে এমন কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এর পাশাপাশি বেআইনিভাবে সমাবেশে অংশ নিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বৈঠক শেষে বলেন, গত দেড় বছরে দেশের বিভিন্ন স্থানে দুই হাজারের বেশি আন্দোলন-বিক্ষোভ হয়েছে। ন্যায্য দাবি-দাওয়ায় সরকার সবসময়ই সাড়া দিয়েছে এবং আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজেছে।তিনি আরও বলেন, “এখন দেশ নির্বাচনমুখী। তাই সব রাজনৈতিক ও পেশাজীবী মহলকে অনুরোধ করছি- যে দাবিই থাকুক, তা নির্বাচন-পরবর্তী সরকারের কাছে জানাতে। নির্বাচন ঘিরে কেউ অস্থিতিশীলতা বা উত্তেজনা সৃষ্টি করবে- এটা আমরা আশা করি না।”সরকারি এই সিদ্ধান্তকে সামনে রেখে প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন ও বিভিন্ন বাহিনী নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি আরও জোরদার করছে।