এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬: কঠোর নীতিমালায় নতুন নিয়ম ও শাস্তির বিধান
২৬ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদনের পর ‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়। এর আগে সকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন পায়।
গেজেট অনুযায়ী, গণভোটে জনগণের সামনে একটি প্রধান প্রশ্ন উপস্থাপন করা হবে:
আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং সনদে বর্ণিত সাংবিধানিক সংস্কার প্রস্তাবসমূহের প্রতি সম্মতি জ্ঞাপন করছেন? (হ্যাঁ/না)।
অধ্যাদেশে সংস্কার–সম্পর্কিত চারটি প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে—
(ক) নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ায় পুনর্গঠন।
(খ) আগামী জাতীয় সংসদ দুই কক্ষবিশিষ্ট করা এবং দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্যের উচ্চকক্ষ গঠন; সংবিধান সংশোধনে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠতার বাধ্যবাধকতা।
(গ) নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন, সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচনসহ জুলাই সনদে ঐকমত্যে পৌঁছানো ৩০টি বিষয়ে বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলোর বাধ্যতামূলক বাস্তবায়ন।
(ঘ) জুলাই সনদে উল্লেখিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাস্তবায়ন।
অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যেসব ভোটকেন্দ্র নির্ধারিত হবে, সেসব কেন্দ্রেই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। একই নির্বাচনের জন্য নিয়োজিত রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারগণ গণভোটের দায়িত্বেও নিয়োজিত হিসেবে বিবেচিত হবেন।
এ ছাড়া, গণভোট পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমেও সম্পন্ন করা যাবে—যেখানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পোস্টাল ব্যালটসংক্রান্ত বিধান ও নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে।