শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

রায় পরবর্তী দ্বিতীয় দিনেও ট্রাইব্যুনাল এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা


মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ডের পর ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় দ্বিতীয় দিনেও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। পুলিশ, সেনা ও বিজিবির সদস্যরা টহল দিচ্ছেন, প্রবেশপথে কড়া পরিচয় যাচাই চলছে। একই মামলায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

১৮ নভেম্বর ২০২৫, ৩:৪০ অপরাহ্ণ 

রায় পরবর্তী দ্বিতীয় দিনেও ট্রাইব্যুনাল এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রায় ঘোষণার পর দ্বিতীয় দিনেও ট্রাইব্যুনাল এলাকা ও সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বহাল রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকাল থেকেই ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবির বিশেষ টিম মোতায়েন করা হয়। সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের টহলও জোরদার করা হয়েছে। প্রবেশপথে পথচারী, আইনজীবী ও সংবাদকর্মীদের কঠোর পরিচয় যাচাইয়ের মাধ্যমে ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

সুপ্রিম কোর্টের ভেতর ও বাইরেও কড়া নজরদারি বজায় রেখেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সাধারণ মানুষের চলাচলেও নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা চালু রাখা হয়েছে। রায়ের পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় রাখতেই এই সতর্কতা বলে জানিয়েছেন দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।

এর আগে, সোমবার ট্রাইব্যুনাল-১–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেন। একই মামলায় রাজসাক্ষী হিসেবে থাকা সাবেক আইজিপি চৌধুরী মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।