অস্কারে এআই-এর দাপট রুখতে কঠোর নিয়ম, মানব সৃজনশীলতাকেই অগ্রাধিকার
৩ মে ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
যানজট নিরসন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং নাগরিক সেবা সহজ করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। রোববার (৩ মে) ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়ে স্থাপিত সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা শনাক্ত করে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের মালিক ও চালকদের কাছে অটো জেনারেটেড (স্বয়ংক্রিয়) নোটিশ পাঠানো হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রেজিস্ট্রেশনবিহীন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং, লাল বাতি অমান্য, স্টপ লাইন অতিক্রম, উল্টো পথে চলাচল, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানো এবং লেফট লেন ব্লকসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে এই ডিজিটাল প্রসিকিউশন কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এ জন্য এআই প্রযুক্তিসমৃদ্ধ আধুনিক সিসি ক্যামেরা গুরুত্বপূর্ণ সিগন্যাল ও ক্রসিংগুলোতে স্থাপন করা হয়েছে।
ডিএমপি জানায়, ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে সংগৃহীত ভিডিও ও স্থিরচিত্র বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট মালিক বা চালকের ঠিকানায় রেজিস্ট্রি ডাকযোগে নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। নোটিশ পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডিএমপি সদর দপ্তর বা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে হাজির হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে নির্ধারিত জরিমানা ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে।
এতে আরও বলা হয়, নোটিশ পাওয়ার পরেও যদি মালিক বা চালকরা হাজির না হন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সমন বা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হবে, যা স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।
এছাড়া, ডিএমপি সবাইকে সতর্ক করে বলেছে-সিসি ক্যামেরা বা ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে মামলার জরিমানা সংক্রান্ত কোনো ধরনের ব্যক্তিগত আর্থিক লেনদেন বা তথ্য আদান-প্রদান থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতারক চক্র এ ধরনের মামলার নাম ব্যবহার করে অর্থ দাবি করলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানা বা ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।