শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

পুলিশের বর্তমান পোশাকে অসন্তোষ, ঐতিহ্যবাহী ইউনিফর্ম ফেরানোর বিষয়ে ভাবছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


পুলিশ বাহিনীর বর্তমান পোশাকে সন্তুষ্টি নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, আগের ঐতিহ্যমণ্ডিত কোনো একটি ইউনিফর্ম ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

২৮ মার্চ ২০২৬, ৫:৫৯ অপরাহ্ণ 

পুলিশের বর্তমান পোশাকে অসন্তোষ, ঐতিহ্যবাহী ইউনিফর্ম ফেরানোর বিষয়ে ভাবছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বর্তমান পোশাকে পুলিশ বাহিনী সন্তুষ্ট নয়। তাই আগের ঐতিহ্যমণ্ডিত যেকোনো একটি পোশাক ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

শনিবার দুপুরে রাজশাহীর পুলিশ একাডেমি সারদায় ৪৩তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের এক বছর মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে সারদার প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী অভিবাদন গ্রহণ ও প্যারেড পরিদর্শন করেন। পরে শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার ক্যাডেটদের কুচকাওয়াজ পরিদর্শন এবং কৃতিত্বের ভিত্তিতে পুরস্কার প্রদান করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্বাধীন ও শক্তিশালী পুলিশ সংস্কার কমিশন গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার। এই সংস্কার কমিশনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত রাখা। অতীতের ফ্যাসিবাদী আমলে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো পুলিশ বাহিনীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই ভঙ্গুর অবস্থা থেকে ধীরে ধীরে উন্নয়নের পথে এগিয়ে এসেছে বাহিনী। বর্তমান সরকার মনে করে, পুলিশ কোনো গোষ্ঠী বা বিশেষ রাজনৈতিক দলের লাঠিয়াল বাহিনী নয়।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পুলিশ হবে জনগণের অকৃত্রিম বন্ধু। নির্বাচনী ইশতেহারেও পুলিশ বাহিনীকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করে আধুনিক, মানবিক ও সেবাধর্মী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে পুলিশের মনোবল বৃদ্ধি এবং দক্ষ জনবল বাড়াতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১ মার্চ শুরু হওয়া ৪৩তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের ৭২ জন প্রশিক্ষণার্থী আজকের এই সমাপনী কুচকাওয়াজের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে বাস্তব কর্মজীবনে প্রবেশ করেন।