সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

নিহত প্রবাসী মোশাররফের দুই সন্তানের শিক্ষার দায়িত্ব নেবে সরকার


সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি মোশাররফ হোসেনের দুই সন্তানের শিক্ষা ব্যয় বহন করবে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। শুক্রবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণকালে তিনি এ কথা বলেন।

২০ মার্চ ২০২৬, ৩:২০ অপরাহ্ণ 

নিহত প্রবাসী মোশাররফের দুই সন্তানের শিক্ষার দায়িত্ব নেবে সরকার
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

সৌদি আরবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি মোশাররফ হোসেনের দুই সন্তানের শিক্ষার দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের পাশে থাকবে সরকার।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মোশাররফ হোসেনের মরদেহ গ্রহণ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি বলেন, নিহত মোশাররফের পরিবারের পাশে সরকার থাকবে এবং তার দুই সন্তানের শিক্ষা খরচ সরকার বহন করবে।

সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে মোশাররফের মরদেহ বহনকারী সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট (এসভি-৮০৬) বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সৌদি আরবের আল-খারিজ শহরের কাছে আল-তোয়াইক এলাকায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনি নিহত হন।

মরদেহ গ্রহণের সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামও উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, যুদ্ধাবস্থা চলা দেশগুলোতে বাংলাদেশের মিশন ও দূতাবাসগুলো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। প্রয়োজনে প্রবাসীদের দেশে ফেরাতে সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ বিমানের স্ট্যান্ডার্ড ফ্লাইটে সরকারের খরচে প্রবাসীদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

নিহত মোশাররফ হোসেনের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার সখীপুর উপজেলার কীর্ত্তনখোলা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. সুরজত আলীর ছেলে। গত ৮ মার্চ সৌদি আরবে একটি আবাসিক ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মোশাররফ নিহত হন। ইফতারের ঠিক আগমুহূর্তে চালানো ওই হামলায় মোশাররফসহ মোট তিনজন প্রাণ হারান।

পরিবারের সদস্যরা জানান, জীবিকার সন্ধানে প্রায় আট বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান মোশাররফ হোসেন। দুই বছর আগে একবার দেশে এসে আবার কর্মস্থলে ফিরে যান তিনি। মৃত্যুর মাত্র আধা ঘণ্টা আগে বড় ছেলে মাহিমের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেছিলেন তিনি। সেটিই ছিল পরিবারের সঙ্গে তার শেষ কথা।