চুয়াডাঙ্গায় অভিযানে আটক বিএনপি নেতার মৃত্যু: অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনা সদস্য প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন
৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ৬ জানুয়ারি ভিসা বন্ড কর্মসূচির আওতায় থাকা দেশগুলোর হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে নতুন করে বাংলাদেশের নাম যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে মোট ৩৮টি দেশ এই তালিকায় রয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকদের নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে কনস্যুলার অফিসার চাইলে ভিসা বন্ড আরোপ করতে পারবেন। এই বন্ডের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে তিন ধাপে- ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা ১৫ হাজার মার্কিন ডলার। আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি ও ভিসা ইন্টারভিউয়ের ভিত্তিতে বন্ডের অঙ্ক নির্ধারণ করবেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানায়, এই পাইলট প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য হলো ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবৈধভাবে অবস্থানকারী (ওভারস্টে) ব্যক্তিদের নিরুৎসাহিত করা। যেসব দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ফিরে না আসার হার তুলনামূলক বেশি, সেসব দেশকেই মূলত এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নির্দিষ্ট তিন বিমানবন্দর দিয়ে প্রবেশ বাধ্যতামূলক
ভিসা বন্ডের আওতায় থাকা বাংলাদেশি যাত্রীরা কেবল তিনটি নির্দিষ্ট বিমানবন্দর দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন। বিমানবন্দরগুলো হলো-
বোস্টন লোগান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (BOS)
জন এফ কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (JFK)
ওয়াশিংটন ডুলস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (IAD)
এই নির্ধারিত পথের বাইরে অন্য কোনো রুট ব্যবহার করলে বন্ডের শর্ত লঙ্ঘিত বলে গণ্য হবে এবং টাকা ফেরত পাওয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।
বাংলাদেশ ছাড়াও তালিকায় রয়েছে আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, ভুটান, কিউবা, জিবুতি, ফিজি, নাইজেরিয়া, নেপাল ও উগান্ডাসহ আরও কয়েকটি দেশ। দেশভেদে ভিন্ন ভিন্ন তারিখ থেকে এই নিয়ম কার্যকর হচ্ছে।
নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ আরও ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।