মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী যাচ্ছেন সম্পূর্ণ জিরো কস্টে
৩১ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ
নেপাল-তিব্বত সীমান্ত এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর ষষ্ঠ দিনেও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভয়াবহ এই দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৮০০ জনে পৌঁছেছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আড়াই হাজারের বেশি মানুষ।
সোমবার (৩১ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিখোঁজ স্বজনদের সন্ধানে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর বিভিন্ন হাসপাতালে ভিড় করছেন তাদের পরিবারের সদস্যরা। প্রিয়জনের কোনো খোঁজ মিলবে-এই আশায় হাসপাতালের দেয়ালে নিখোঁজদের ছবি ও তথ্য লাগিয়ে দিচ্ছেন স্বজনরা।
এদিকে ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে উদ্ধারকাজে কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। উদ্ধারকারীরা এমন একটি গর্ত তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন, যার মাধ্যমে ভেতরে প্রবেশ করে নিখোঁজদের সন্ধান শুরু করা সম্ভব হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ আড়াই হাজারের বেশি মানুষের মধ্যে কয়েকশ জন নেপালের বিভিন্ন জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মী বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া নিখোঁজদের তালিকায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন। তবে ভয়াবহ এই পরিস্থিতির মধ্যেও জীবিতদের উদ্ধারের আশা এখনো ছাড়েননি উদ্ধারকারীরা। কয়েকটি সফল অভিযানে মানুষকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, চীনের নিয়ন্ত্রণাধীন তিব্বতেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। সরকারি হিসাবে সেখানে মৃতের সংখ্যা ১৬ জন। এ ছাড়া আরও ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের প্রায় অর্ধেকই বিদেশি নাগরিক বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিবিসির চীনবিষয়ক সংবাদদাতা জানিয়েছেন, শিগাতসে শহরের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, উদ্ধারকারী দলগুলো এখন পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ ও দুর্গত এলাকায় নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এখনো কাউকে জীবিত খুঁজে পাওয়া যায়নি।
ভয়াবহ বন্যা ও এর ফলে সৃষ্ট ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে নেপাল ও তিব্বতের বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও উদ্ধারকারী দলগুলো নিখোঁজদের সন্ধান এবং দুর্গত মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।