‘আমি ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’-আদালতে আনার পথে মূল অভিযুক্তের দাবি
৪ জুন ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের সমঝোতা হওয়ার মাত্র একদিন পরই ভিন্ন সুর শোনা গেল ইসরাইলি প্রশাসনের কণ্ঠে। ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত ফলপ্রসূ আলোচনার পর দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও, মাঠপর্যায়ে এখনই অভিযান বন্ধ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার প্রধান শর্ত হলো হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে সব ধরনের হামলা সম্পূর্ণ বন্ধ করা। তবে এই প্রক্রিয়ার মধ্যেই ইসরাইলি বাহিনী তাদের সামরিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
এক বিবৃতিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ জানান, দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের ঘোষিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চলে’ তাদের সেনারা অবস্থান বজায় রাখবে। এই অঞ্চলের মধ্যে গত শনিবার ইসরাইলি বাহিনীর দখলে নেওয়া প্রায় ৯০০ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক বিউফোর্ট দুর্গ এলাকাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, ওই অঞ্চলে ইসরাইল তাদের ভাষায় ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো ধ্বংসের অভিযান’ অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে ইসরাইল এমন সামরিক স্বাধীনতা ধরে রাখবে, যার ফলে ইসরাইলি জনপদ বা ভূখণ্ডে যেকোনো ধরনের হামলার জবাবে প্রয়োজনে তারা আবারও বৈরুতে সরাসরি হামলা চালাতে পারবে।
ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর বাস্তুচ্যুত লাখো লেবাননি নাগরিকের নিজ নিরাপত্তায় ঘরে ফেরার প্রতীক্ষা আরও দীর্ঘায়িত হলো। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতির চুক্তি কাগজে-কলমে আলোর মুখ দেখলেও মাঠপর্যায়ে এর স্থায়িত্ব নিয়ে এখনো বড় ধরনের অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।