বিসিবির নতুন সভাপতি তামিম ইকবাল, ৩ মাসের অ্যাডহক কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ
২৬ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ
দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে শীত। গত কয়েকদিন ধরেই এই অঞ্চলের তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠানামা করছে। আজ বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।
স্থানীয়রা জানান, ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ঠান্ডার তীব্রতা বেশি থাকে। তবে রোদ উঠলে চারপাশ ধীরে ধীরে উষ্ণ হয়। গতকাল মঙ্গলবার দিনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত পুরো সপ্তাহ ধরেই জেলার তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৪ ডিগ্রির মধ্যে ছিল। মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়াবিদ জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, “রাত বাড়লেই ঠান্ডা বাড়ে, আর সূর্য উঠলেই তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। আজ ১২ দশমিক ৯ ডিগ্রি রেকর্ড হয়েছে। মাসের শেষে হালকা শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে।”
এদিকে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রুমামা আকতার জানান, শীত বেশি লাগার কারণে তার মেয়ে জ্বর-সর্দিতে ভুগছে। রাতে অসুস্থতা বাড়ায় ডাক্তার দেখাতে হাসপাতালে আসতে হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, হাসপাতালে আসা বেশিরভাগ শিশু-রোগীরই সমস্যা শীতজনিত।
একই সঙ্গে ভোরবেলার কঠিন শীত ভোগাচ্ছে শ্রমজীবী মানুষদের। ভ্যানচালক আবুল হোসেন জানান, “ভোরে এত ঠান্ডা থাকে যে হাত-পা জমে আসে। ভ্যান চালানোই কষ্ট হয়ে যায়। তবে রোদ উঠলে একটু স্বস্তি আসে।”
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক কাজী মো. সাইমুজ্জামান জানান, “শীতার্ত মানুষের জন্য সরকারিভাবে ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন উপজেলায় শীতবস্ত্র বিতরণ চলছে, পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও সহায়তা করছে।”