শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

উপকূল দিবসের দাবীতে৭০ এর ঘূর্ণিঝড়ে নিহতদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলন


"জলবায়ু-বিপন্ন উপকূল বাসীর সুরক্ষার জন্য জলবায়ু ন্যায্যতার দাবি জোরালো হোক" এই প্রতিপাদ্যে ৭০-এর ১২ নভেম্বর প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড়ে প্রয়াত ব্যক্তিদের স্মরণে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পৌর শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে মোমবাতি প্রজ্বলন করা হয়।

১৩ নভেম্বর ২০২৫, ৭:১৬ অপরাহ্ণ 

উপকূল দিবসের দাবীতে৭০ এর ঘূর্ণিঝড়ে নিহতদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলন
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

"জলবায়ু-বিপন্ন উপকূল বাসীর সুরক্ষার জন্য জলবায়ু ন্যায্যতার দাবি জোরালো হোক" এই প্রতিপাদ্যে ৭০-এর ১২ নভেম্বর প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড়ে প্রয়াত ব্যক্তিদের স্মরণে  পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পৌর শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে মোমবাতি প্রজ্বলন করা হয়।

সোমবার সন্ধ্যা ৭.৩০  মিনিটের সময়ে  ভয়াল ১২ নভেম্বরকে রাস্ট্রীয়ভাবে উপকূল দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দেয়ার দাবীতে এ মোমবাতি প্রজ্বলন করা হয়।

এ সময়ে বক্তব্য রাখেন কলাপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি নেছারউদ্দিন আহমেদ টিপু , সাবেক সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির এবং ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের উপকূলীয় সমন্বয়ক মেজবাহউদ্দিন মাননু।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, কলাপাড়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট ফোরাম'র সাধারণ সম্পাদক, ফরিদ উদ্দিন বিপু, আমরা কলাপাড়াবাসীর সভাপতি সম্পাদক নাজমুস  সাকিব, সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, ১৯৭০সালের ভয়াল ১২ নভেম্বর এই দিনের বেদনা বিধূর ইতিহাস বাঙালি জাতি আজও ভুলতে পারেনি। ভেসে যায় গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি আর ক্ষতিগ্রস্থ হয় মাঠ ফসল এবং অসংখ্য গাছপালা, পশু-পাখি। পুরো উপকূল মুহূর্তেই ধ্বংসযজ্ঞে পরিণত হয়।

উল্লেখ্য ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর ১৮৫ কিলোমিটারে বেগে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানে একটি ঘূর্ণিঝড়। এতে উপকূলীয় অঞ্চল জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়।