বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এসএসসি ২০২৬ পুনর্নিরীক্ষণে ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের গ্রেড পরিবর্তন


এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এর খাতা পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নে সারা দেশে ২৭ হাজার ৮৩৬ জন শিক্ষার্থীর গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে ফেল থেকে পাস করেছে ৪ হাজার ৫৮৫ জন এবং নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৭৯ জন। শিক্ষাবোর্ডগুলোর প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ 

এসএসসি ২০২৬ পুনর্নিরীক্ষণে ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের গ্রেড পরিবর্তন
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এর খাতা পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নে সারা দেশে ২৭ হাজার ৮৩৬ জন শিক্ষার্থীর ফলাফলে পরিবর্তন এসেছে। এর মধ্যে ৪ হাজার ৫৮৫ জন শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছে। এছাড়া নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৭৯ জন।

শিক্ষাবোর্ডগুলোর প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। ফল প্রকাশের পর খাতা পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করে ৪ লাখ ২ হাজার ৫২ জন শিক্ষার্থী।

আবেদন করা শিক্ষার্থীদের মোট ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৮টি উত্তরপত্র বা স্ক্রিপ্ট পুনর্নিরীক্ষণ করা হয়। পুনর্নিরীক্ষণ শেষে ৫৬ হাজার ২৫৯টি খাতায় নম্বরের পরিবর্তন পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে ২৭ হাজার ৮৩৬ জন শিক্ষার্থীর গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট ৩ লাখ ৪১ হাজার ৬২৫ জন শিক্ষার্থী পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে। তাদের মধ্যে ২৫ হাজার ৬২০ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে। এদের মধ্যে ৩ হাজার ৬৬৬ জন ফেল থেকে পাস করেছে এবং নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৭৪০ জন।

একক বোর্ড হিসেবে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে। এ বোর্ডে মোট ৯৪ হাজার ২৩৬ জন আবেদন করে। তাদের মধ্যে ৮ হাজার ৯৯৯ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে। নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯০৬ জন শিক্ষার্থী।

তবে ফেল থেকে পাসের দিক দিয়ে সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন এসেছে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডে পুনর্নিরীক্ষণের পর ১ হাজার ১৮০ জন শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছে। একই সঙ্গে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৭৭ জন।

এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ২৫৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৬৬৪ জন পরীক্ষার্থী পুনর্নিরীক্ষণের পর ফেল থেকে পাস করেছে। খাতা পুনর্নিরীক্ষণের ফলে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থীর ফলাফলে পরিবর্তন আসায় অনেক শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।