এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬: কঠোর নীতিমালায় নতুন নিয়ম ও শাস্তির বিধান
৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মঙ্গলবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিবি প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।
তিনি জানান, মামলার তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং পাঁচজন পলাতক রয়েছেন।
ডিবি প্রধান বলেন, শরিফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করা ফয়সাল করিম মাসুদ নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর ফয়সাল ও আলমগীরকে পলায়নে সহায়তা করেন তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি। তিনি পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ মনোনীত সাবেক কাউন্সিলর ছিলেন। তদন্তে আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় ও ভুক্তভোগীর পূর্ববর্তী রাজনৈতিক বক্তব্য বিশ্লেষণ করে স্পষ্ট হয়েছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই শরিফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানান ডিবি প্রধান।
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর পল্টনের বিজয়নগর এলাকায় মোটরসাইকেলে এসে দুই যুবক শরিফ ওসমান বিন হাদিকে মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে পরিবারের সিদ্ধান্তে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
সেখানে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। তবে সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।