এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬: কঠোর নীতিমালায় নতুন নিয়ম ও শাস্তির বিধান
২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১:৩১ অপরাহ্ণ
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কলিমহর এলাকায় চাঁদাবাজি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে সম্রাট বাহিনীর প্রধান অমৃত মন্ডল ওরফে সম্রাট (৩৫) নিহত হয়েছেন। এ সময় তার সহযোগী সেলিমকে একটি পিস্তল ও একটি ওয়ান শুটারগানসহ আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
ওসি জানান, বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে কলিমহর ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গা এলাকায় গণপিটুনির ঘটনায় সম্রাট ঘটনাস্থলেই মারা যান। তার বিরুদ্ধে হত্যা সহ একাধিক মামলা রয়েছে। ঘটনার পরপরই তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত সম্রাট হোসেনডাঙ্গা এলাকার অক্ষয় মন্ডলের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজের নামে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে এলাকায় ও আশপাশের বিভিন্ন স্থানে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। একাধিক মামলার আসামি হয়ে দীর্ঘ সময় ভারতে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। কিছুদিন আগে দেশে ফিরে পুনরায় অপরাধমূলক তৎপরতা শুরু করেন।
স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি সম্রাট কলিমহরের একটি বাড়িতে চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু বাড়ির লোকজন চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বুধবার রাতে সম্রাট তার কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে ওই বাড়িতে চাঁদার টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে যান। এ সময় বাড়ির লোকজন ‘ডাকাত, ডাকাত’ বলে চিৎকার দিলে আশপাশের মানুষজন এগিয়ে এসে সম্রাটকে ধরে গণপিটুনি দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এ সময় সম্রাটের অন্য সহযোগীরা পালিয়ে গেলেও বসাকুষ্টিয়া এলাকার সেলিম নামের এক সন্ত্রাসীকে অস্ত্রসহ আটক করতে সক্ষম হয় স্থানীয় জনতা। পরে তাকে পাংশা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
পাংশা মডেল থানা পুলিশ জানায়, আটক সেলিমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং পলাতক সহযোগীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।