এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬: কঠোর নীতিমালায় নতুন নিয়ম ও শাস্তির বিধান
২০ নভেম্বর ২০২৫, ৬:১১ অপরাহ্ণ
বহুল আলোচিত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ এবং পরিদর্শক মো. লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে মামলার ছয় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও বহাল রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় প্রকাশ করেন। রায় অনুযায়ী আসামিরা এখন ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন।
এর আগে চলতি বছরের ২ জুন মৃত্যুদণ্ড বহালের রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি ৬ আসামির যাবজ্জীবন দণ্ড ও প্রত্যেকের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশও বহাল রাখা হয়।
যাবজ্জীবন দণ্ড বহাল থাকা আসামিরা
নন্দদুলাল রক্ষিত, সাবেক এসআই, টেকনাফ থানা
রুবেল শর্মা, কনস্টেবল
সাগর দেব, কনস্টেবল
মো. নুরুল আমিন
মোহাম্মদ আইয়াজ
মো. নিজাম উদ্দিন
ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল শুনানি শেষ হয় গত ২৯ মে। এরপর আজ পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হলো।
ঘটনার পটভূমি
২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান। ঘটনার পাঁচ দিন পর তাঁর বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস আদালতে মামলা করেন।
র্যাব একই বছরের ১৩ ডিসেম্বর ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করে, যেখানে হত্যাকাণ্ডকে ‘পরিকল্পিত’ বলে উল্লেখ করা হয়।
২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত ওসি প্রদীপ ও লিয়াকতকে মৃত্যুদণ্ড দেন এবং ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এরপর মামলাটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে আসে এবং দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আপিল করেন।