বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

আজ জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও জিয়া পরিবারের সমাধিতে শ্রদ্ধা, বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা আজ সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-র সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন তারা। বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক।

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ণ 

আজ জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও জিয়া পরিবারের সমাধিতে শ্রদ্ধা, বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর নবগঠিত মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা। আজ বুধবার এই শ্রদ্ধা নিবেদনের কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারি কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা সকালে সাভারে স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। সেখানে শহিদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নিরবতা পালন করবেন তারা। স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর দল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে যাবেন। সেখানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-র সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করবেন তারা।

শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও মাজার জিয়ারত শেষে প্রধানমন্ত্রী তাঁর কার্যালয়ে ফিরবেন। আজ বিকেলেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক। এই বৈঠকে সরকারের আগামী দিনের অগ্রাধিকার ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিকেল ৪টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের মধ্যে ২০৯টিতে জয় পায় বিএনপি। ৩০০ আসনের সংসদে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১৫১টি আসন। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরাজ করছে উচ্ছ্বাস।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে নির্বাচনী নেতৃত্ব দেওয়া এবং সাংগঠনিক পুনর্গঠনের মাধ্যমে দলকে ঐক্যবদ্ধ করাই ছিল এ বিজয়ের অন্যতম কারণ। নতুন সরকারের ঘোষিত অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, প্রশাসনিক সংস্কার, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা।