পহেলা বৈশাখ জাতিসত্তা ও সংস্কৃতির অনন্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:৪৩ পূর্বাহ্ণ
বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয় অর্জনের মাধ্যমে এককভাবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এরই মধ্যে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের তারিখ ও স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।
আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। অনুষ্ঠানের স্থান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে জাতীয় সংসদ ভবন-এর দক্ষিণ প্লাজা।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে গঠিতব্য এ মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে চীন, ভারত, পাকিস্তানসহ ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, আমন্ত্রিত দেশের তালিকায় রয়েছে- চীন, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে নেওয়া হয়েছে একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির বাসভবন বঙ্গভবন-এ শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলেও এবার তা হচ্ছে না। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে। এরই মধ্যে অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ও প্রটোকল সংক্রান্ত প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। দেশি-বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কূটনৈতিক যোগাযোগও অব্যাহত রয়েছে। রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদারের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় লাভ করে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। ফল ঘোষণার পর থেকেই সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
জানা গেছে, একই দিন সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। তাদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, আইন মন্ত্রণালয় এবং সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় যুক্ত একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবে নতুন সরকার। শপথগ্রহণ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার বহাল থাকবে। মন্ত্রিসভার শপথ সম্পন্ন হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।