বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের ফৌজদারি দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি


জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংগঠিত রাজনৈতিক প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণকারীদের ফৌজদারি দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিতে একটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।

২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৯:৪২ পূর্বাহ্ণ 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের ফৌজদারি দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংগঠিত রাজনৈতিক প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণকারীদের ফৌজদারি দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা প্রদান করে একটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) প্রকাশিত গেজেটে এ অধ্যাদেশ জারির বিষয়টি জানানো হয়।

অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা ফ্যাসিস্ট শাসনের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সর্বাত্মক গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করে, যা পরবর্তীতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। এতে বলা হয়, গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ফ্যাসিবাদী সরকারের নির্দেশে পরিচালিত নির্বিচার হত্যাকাণ্ড ও সশস্ত্র আক্রমণ প্রতিরোধ এবং জনশৃঙ্খলা পুনর্বহাল ও নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আত্মরক্ষাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা অনিবার্য হয়ে ওঠে।

অধ্যাদেশে আরও বলা হয়, এসব প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ড এবং জনশৃঙ্খলা পুনর্বহাল ও নিশ্চিত করার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী গণঅভ্যুত্থানকারীদের গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনি সুরক্ষা প্রদান করা প্রয়োজন।

এ জন্য সংসদ ভেঙে যাওয়ায় আইন প্রণয়নের বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এবং রাষ্ট্রপতির কাছে আশু ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হওয়ায় সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করেন। এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি প্রদানের একটি অধ্যাদেশ অনুমোদন করে উপদেষ্টা পরিষদ। তখন জানানো হয়েছিল, অনুমোদনের পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যেই অধ্যাদেশটি গেজেট আকারে প্রকাশ পেয়ে আইনে পরিণত হবে।

ওই দিন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটি অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।