বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো ভোলার মনপুরা দ্বীপ


ভারতের মণিপুর–আসাম অঞ্চলে সংঘটিত ভূমিকম্পের প্রভাবে ভোলার মনপুরা দ্বীপে ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার ভোরে ফজরের নামাজের সময় হঠাৎ এই কম্পনে বসতঘর, মসজিদ-মাদ্রাসা ও বিভিন্ন ভবন কেঁপে উঠলে পুরো দ্বীপজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১:৪১ অপরাহ্ণ 

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো ভোলার মনপুরা দ্বীপ
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

উপজেলায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। হঠাৎ এই কম্পনে পুরো দ্বীপজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বসতঘর, মসজিদ-মাদ্রাসা, সরকারি-বেসরকারি ভবন, এমনকি হাসপাতালের ভবনও কেঁপে ওঠে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়।

ফজরের নামাজ চলাকালে মনপুরা উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে মুসল্লিরা কম্পন টের পান। ইসলামী আন্দোলন মনপুরা উপজেলা আমির মাওলানা জসিম উদ্দিন ও দারুস সুন্নাহ ফজলুল উলুম কওমী মাদ্রাসার মুহতামিম এনায়েত উল্লাহ নুরনবী জানান, নামাজ আদায়ের সময় হঠাৎ করে পুরো মসজিদ দুলে ওঠে। মুহূর্তের মধ্যে মুসল্লিদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সাংবাদিক সালাউদ্দিন ও মাহাবুব আলম শাহিন জানান, ভোরের নীরবতা ভেঙে হঠাৎ ভূকম্পন শুরু হয়। এ সময় ঘরবাড়ি কেঁপে ওঠে এবং মানুষজন নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বেরিয়ে আসেন।

মনপুরা উপজেলা পরিষদ এলাকার বাসিন্দা মোঃ কাওসার, মোঃ রাসেল ও রাশেদুল জানান, ভূমিকম্পের সময় তাদের বসতঘর কাঁপতে থাকে। একই সঙ্গে এলাকার বিভিন্ন পুকুর ও জলাশয়ের পানি অস্বাভাবিকভাবে টলমল করতে দেখা যায়।

মনপুরা উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা নোমান ফরাজী জানান, ফজরের নামাজ চলাকালে পুরো মসজিদে কম্পন অনুভূত হয়, যা মুসল্লিদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভারতের মণিপুর ও আসামসহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সংঘটিত ভূমিকম্পের প্রভাবে ভোলার মনপুরা উপকূল এলাকায় এই কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, এর আগেও ২০২৪ সালের মে মাসে ভারতের মণিপুরে সংঘটিত ভূমিকম্পের প্রভাবে ভোলার মনপুরা উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূকম্পন অনুভূত হয়েছিল। সে সময় রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৫ মাত্রা।