পহেলা বৈশাখ জাতিসত্তা ও সংস্কৃতির অনন্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ
জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি কার্ডে ভুল তথ্য থাকলে তা সংশোধন করা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এনআইডি সংশোধনের প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ অনলাইনে চালু করায় সাধারণ মানুষের জন্য কাজটি অনেক সহজ হয়েছে। যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক অনলাইনের মাধ্যমে এনআইডির বিভিন্ন তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করতে পারেন।
অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধনের মাধ্যমে যেসব তথ্য পরিবর্তন করা যায় সেগুলো হলো-
১. ব্যক্তিগত তথ্য সংশোধন
২. ঠিকানা পরিবর্তন
৩. ভোটার এলাকা পরিবর্তন
৪. ছবি পরিবর্তন
৫. এনআইডি/ভোটার আইডি কার্ড রিপ্রিন্ট
প্রথম ধাপ: নিবন্ধন ও লগইন
এনআইডি সংশোধনের জন্য প্রথমে বাংলাদেশ এনআইডি পোর্টাল (www.nidw.gov.bd) এ রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হলে https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/ লিংকে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে নিজের অ্যাকাউন্টে লগইন করতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপ: প্রোফাইল এডিট
লগইনের পর প্রদর্শিত ওয়েবপেইজের বাম পাশে থাকা “প্রোফাইল” ট্যাবে ক্লিক করুন। এখানে আপনার নাম, জন্মতারিখ, জন্মস্থান, মা-বাবার নামসহ সব ব্যক্তিগত তথ্য দেখা যাবে।
ডান পাশে থাকা “এডিট” বাটনে ক্লিক করলে সংশোধনের জন্য প্রযোজ্য ফি সংক্রান্ত তথ্য দেখানো হবে। “বহাল” বাটনে ক্লিক করলে এডিট প্রোফাইল পেজে প্রবেশ করবেন।
যেসব তথ্য সংশোধন করতে চান, সেগুলোর পাশে থাকা বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে তথ্য পরিবর্তন করুন। পরিবর্তন শেষ হলে “পরবর্তী” বাটনে ক্লিক করুন।
তৃতীয় ধাপ: তথ্য যাচাই ও ফি প্রদান
পরবর্তী ধাপে পরিবর্তিত তথ্য ও আগের তথ্য একসঙ্গে দেখানো হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আবার “পরবর্তী” বাটনে ক্লিক করুন।
এরপর ট্রানজেকশন ট্যাবে নির্ধারিত ফি দেখানো হবে। মোবাইল ব্যাংকিং বা ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করতে হবে। ফি প্রদান না করলে আবেদন প্রক্রিয়া এগোবে না।
চতুর্থ ধাপ: ডকুমেন্ট আপলোড ও সাবমিট
ফি পরিশোধের পর পেজটি রিলোড করুন এবং “পরবর্তী” বাটনে ক্লিক করুন।
এই ধাপে এসএসসি সনদ বা জন্মসনদের স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে। সব তথ্য যাচাই করে নিশ্চিত হলে “সাবমিট” বাটনে ক্লিক করুন।
পঞ্চম ধাপ: প্রিন্ট কপি ও নতুন এনআইডি সংগ্রহ
আবেদন সাবমিটের পর প্রোফাইল পেজে গিয়ে “বিস্তারিত তথ্য” অপশনে ক্লিক করুন। সেখানে থাকা “ডাউনলোড” বাটনে ক্লিক করে একটি পিডিএফ ফাইল সংগ্রহ করুন এবং প্রিন্ট নিন।
পরবর্তীতে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে কোন অফিস থেকে নতুন তথ্যসংবলিত এনআইডি কার্ড সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত স্থানে পিডিএফের প্রিন্ট কপি জমা দিলেই নতুন এনআইডি কার্ড হাতে পাওয়া যাবে।
অনলাইনে এই প্রক্রিয়া চালু হওয়ায় এনআইডি সংশোধনে সময়, খরচ ও ভোগান্তি অনেকাংশে কমেছে বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন।