পহেলা বৈশাখ জাতিসত্তা ও সংস্কৃতির অনন্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও আশপাশের এলাকায় মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সোমবার (১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১২টা ৫৭ মিনিটে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম শহর ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে ৪ দশমিক ৯ মাত্রার এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ইউএসজিএস (মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ) জানায়, কম্পনের কেন্দ্রস্থল ছিল মিয়ানমারের ফালাম থেকে প্রায় ৮১ কিলোমিটার পূর্বে। আর ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) সর্বশেষ তথ্যে জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের নাচুয়াং, যার গভীরতা ছিল ১০৬.৮ কিলোমিটার।
ইএমএসসি’র তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পে প্রভাবিত অঞ্চল হিসেবে দেখানো হয়েছে—
মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চল,
উত্তর–পূর্ব ভারত,
এবং বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, ঢাকা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগ।
মিয়ানমার—ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল
মিয়ানমার ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় দেশটি ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। এ দুটি প্লেটের মধ্যবর্তী সীমানাকে ‘সাইগং ফল্ট’ বলা হয়, যা প্রায় ১,২০০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যে মান্দালয় ও ইয়াঙ্গুনসহ ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে। এই ফল্টলাইনের কারণে দেশটিতে ভূমিকম্পের ঝুঁকি দীর্ঘদিন ধরেই বেশি।
২১ নভেম্বর থেকে টানা অষ্টম কম্পন বাংলাদেশে
গত কয়েক দিনের মধ্যে এ নিয়ে অষ্টমবার ভূমিকম্প অনুভূত হলো বাংলাদেশে। ধারাবাহিক কম্পনের সূচনা হয়েছিল ২১ নভেম্বর, যখন নরসিংদীতে উৎপত্তি হওয়া ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ঢাকাসহ আশপাশের জেলাগুলো। সেই কেন্দ্রস্থলীয় কম্পনে নিহত হন ১০ জন। এরপর থেকে মাঝে মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু থেকে মাঝারি ভূমিকম্প অনুভূত হচ্ছে।