শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬

দেশজুড়ে নদী-নালা, খাল ও জলাশয় খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ১৬ মার্চ


দেশব্যাপী নদী-নালা, খাল ও জলাশয় খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে। একই দিনে দেশের আরও ৫৪টি জেলায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের উপস্থিতিতে একযোগে কর্মসূচির সূচনা হবে।

১০ মার্চ ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ 

দেশজুড়ে নদী-নালা, খাল ও জলাশয় খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ১৬ মার্চ
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

দেশজুড়ে নদী-নালা, খাল ও জলাশয় খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি জানান, ১৬ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পাশাপাশি একই দিনে দেশের আরও ৫৪টি জেলায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী এবং সংসদ সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে একযোগে এই কর্মসূচির সূচনা করবেন। পানিসম্পদ, স্থানীয় সরকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগে এই বৃহৎ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি কেবল একটি উন্নয়ন প্রকল্প নয়; বরং সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের একটি বড় রাজনৈতিক অঙ্গীকার। মীর শাহে আলম জানান, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন যেন যন্ত্রপাতির ব্যবহার কমিয়ে অন্তত ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কাজ সাধারণ শ্রমিকদের দিয়ে করানো হয়। এতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে বড় ধরনের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি আরও বলেন, এই কর্মসূচিতে শুধু শ্রমিক নয়, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ হাইস্কুল ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদেরও সম্পৃক্ত করার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তরুণ প্রজন্মকে দেশ গড়ার উদ্যোগে সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

অতীতে খাল খনন প্রকল্পের নামে অর্থ লোপাটের যে সংস্কৃতি ছিল, তা বন্ধে এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো হলে অনিয়মের সুযোগ অনেকটাই কমে যাবে।

তিনি জানান, স্থানীয় মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা সরাসরি মাঠে উপস্থিত থেকে কাজ তদারকি করবেন। সাধারণ মানুষ যখন নিজের চোখের সামনে প্রকল্পের কাজ পর্যবেক্ষণ করবে, তখন দুর্নীতি করার সুযোগ থাকবে না বলেও দাবি করেন তিনি।