সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

রাজধানীর ৪ বাস টার্মিনাল অতিদ্রুত ঢাকার বাইরে স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের


ঢাকার যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নে রাজধানীর ৪টি আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল অতিদ্রুত শহরের বাইরে স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গুলিস্তান, মহাখালী, গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যথাক্রমে কেরানীগঞ্জ, পূর্বাচল/টঙ্গী, হেমায়েতপুর ও কাঁচপুরে সরিয়ে নেওয়া হবে।

১৫ জুন ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ 

রাজধানীর ৪ বাস টার্মিনাল অতিদ্রুত ঢাকার বাইরে স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

রাজধানীর যানজট নিরসন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ঢাকার ভেতরের ৪টি বড় আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল অতিদ্রুত শহরের বাইরে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন কক্ষে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় তিনি এই নির্দেশনা দেন। রাজধানীর যানজট ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে এটি প্রধানমন্ত্রীর তৃতীয় বৈঠক। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু সাংবাদিকদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

যে ৪টি আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল দ্রুত স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত হয়েছে সেগুলো হলো-ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তান বাস টার্মিনাল, গাবতলী বাস টার্মিনাল, মহাখালী বাস টার্মিনাল এবং সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনাল। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী:

ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তান বাস টার্মিনাল স্থানান্তরিত হবে কেরানীগঞ্জে।

মহাখালী বাস টার্মিনাল সাময়িকভাবে পূর্বাচলে এবং পরবর্তীতে স্থায়ীভাবে টঙ্গীর কাছে স্থানান্তর করা হবে।

গাবতলী বাস টার্মিনাল সরিয়ে নেওয়া হবে হেমায়েতপুরে।

সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনাল চলে যাবে কাঁচপুরে।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জানান, টার্মিনাল স্থানান্তরের পাশাপাশি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যত্রতত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা দূরপাল্লার বাস কাউন্টারগুলোও দ্রুত সরিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য কড়া তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় ট্রাফিক সিগন্যালিংয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ক্যামেরা স্থাপনের সুফল ও অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ট্রাফিক ব্যবস্থার এই আধুনিকায়নে এআই ক্যামেরার কার্যকারিতা দেখে প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন।

উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবিব, সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, স্বরাষ্ট্র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী এবং রাজউকের চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।