শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

নেতানিয়াহুকে যুদ্ধ থামানোর আহ্বান ট্রাম্পের


মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটাতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত সপ্তাহে এক ফোনালাপে ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে জানান যে, ইরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের পরমাণু চুক্তি সংক্রান্ত আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে এবং দুই দেশ একটি সমঝোতা স্মারকের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এই সম্ভাব্য চুক্তিকে সামনে রেখে ট্রাম্প স্পষ্ট ভাষায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে চলমান যুদ্ধ থামানোর তাগিদ দিয়েছেন।

১৩ জুন ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ণ 

নেতানিয়াহুকে যুদ্ধ থামানোর আহ্বান ট্রাম্পের
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটাতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত সপ্তাহে এক ফোনালাপে ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে সাফ জানিয়ে দেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে এবং চলমান যুদ্ধ শেষ করার এখনই উপযুক্ত সময়। মার্কিন নিউজ পোর্টাল ‘অ্যাক্সিওস’ এক উচ্চপদস্থ মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে। একই সাথে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, টেলিফোন সংলাপে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে তেহরানের সঙ্গে চলমান আলোচনার অগ্রগতির কথা জানান। ট্রাম্প উল্লেখ করেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ইরানের সাথে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। এই সম্ভাব্য চুক্তিটিকে একটি বড় ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে বর্ণনা করে ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে বলেন, "চলমান সংঘাতের অবসান ঘটানোর সময় এসেছে।"

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ট্রাম্পের এই অনড় অবস্থানের পর নেতানিয়াহু স্পষ্ট বুঝতে পেরেছেন যে, তেহরানের সঙ্গে চুক্তির পথে এগোতে ওয়াশিংটনকে বাধা দেওয়ার কোনো সুযোগ বা ক্ষমতা ইসরায়েলের নেই।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিনের বৈরিতা কাটিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি বড় ধরনের সমঝোতা চুক্তির প্রায় কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল' জানিয়েছে, এই ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারকটি সই করতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স খুব শিগগিরই সুইজারল্যান্ডের জেনেভা সফরে যেতে পারেন।

একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরানের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করবে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি-সংক্রান্ত নির্দিষ্ট কিছু কঠোর শর্ত পূরণের ওপর। যদি ইরান শর্তগুলো মেনে চলে, তবেই ধাপে ধাপে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হবে।

এদিকে, জেনেভায় সমঝোতা স্মারকটি সই হওয়ার পরও বেশ কিছু জটিল কারিগরি বিষয় অমীমাংসিত থেকে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেই জটিল ও কারিগরি বিষয়গুলো সুরাহা করতে পরবর্তীতে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে আরও বিস্তারিত কূটনৈতিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে পারে।