সোমবার, ২০ মে, ২০২৪

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় হামুন, বন্দরে ৭ নম্বর সংকেত


২৪ অক্টোবর ২০২৩, ১১:২৮ পূর্বাহ্ণ 

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় হামুন, বন্দরে ৭ নম্বর সংকেত
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় হামুন। আবহাওয়া অফিস তথ্য মতে, মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর নাগাদ ভোলার নিকট দিয়ে বরিশাল-চট্টগ্রাম উপকূল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে অতিক্রম করতে পারে। ফলে সমুদ্রবন্দরগুলোতে সতর্কতা সংকেত বাড়ানো হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় হামুনের কারণে পায়রা ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৭, কক্সবাজারে ৬ ও মোংলায় ৫ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এর প্রভাবে বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা ও সিলেট বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের পাহাড়ী অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভূমি ধস হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের সবশেষে তথ্য বলছে, ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টায় ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৯০ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৫৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর ও উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর এবং ঘণীভূত হতে পারে।

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হামুনের কারণে ১০টি উপকূলীয় জেলাকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। জেলাগুলো হলো- পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর।

প্রতিমন্ত্রী জানান, এসব অঞ্চলের লোকজনকে আজ রাত ৮টার মধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব জেলায় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মেডিক্যাল টিমও গঠন করা হয়েছে। পর্যাপ্ত জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী নিয়ে তারাও প্রস্তুত রয়েছে। আর গবাদি পশু সরিয়ে আনতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই ১০ জেলার ১৫ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন