রবিবার, ১৯ মে, ২০২৪

মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া


মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন করতে যা যা করতে হবে।
মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন করবো কিভাবে? যে কোন বিষয়ে কাজ করতে গেলে পূর্ব অভিজ্ঞতা জরুরি। কিভাবে বাইকের রেজিস্ট্রেশন করা যায়? রেজিস্ট্রেশন করতে কত টাকা লাগবে? আর এজন্য আমরা মোটরবাইকের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরছি যাতে করে আপনি সহজেই আপনার নিজের বাইক কিনতে বা নিবন্ধন/ মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন করতে পারেন। 

কত সিসি বাইকের জন্য কত টাকা ব্যাংক জমা লাগবে ও কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন হবে, কিভাবে ব্যাংকে টাকা জমা দিবেন, সকল সমস্যার সমাধান নিয়েই " আজকের প্রসঙ্গের " আজকের আলোচনা।

মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন করতে যা যা করতে হবে/ মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন করতে কি কি লাগবেঃ

আবেদনপত্রে (এইচ-ফরম) মালিক ও আমদানিকারক/ডিলার কর্তৃক সত্যায়িত যথাযথ পূরণ ও স্বাক্ষর।
ব্যাংক বা অন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে হায়ার পারচেজ এগ্রিমেন্টের ক্ষেত্রে উক্ত প্রতিষ্ঠানের যথাযথ ডকুমেন্ট
যৌথ মালিকানার ক্ষেত্রে উভয়ের স্বাক্ষর এবং কোম্পানির ক্ষেত্রে স্বাক্ষর ও সিলমোহর, বিল অফ লেডিং এর সত্যায়িত কপি

ধাপ -(১): বাইকের সকল কাগজপত্র শোরুম থেকে নিয়ে আসবেন। কাগজপত্র সব ঠিক আছে কিনা বুঝে নিবেন।
যেমন- (ভ্যাট চালান, মুসক চালান,গেইট পাস ইত্যাদি)
(বি:দ্র: শো-রুমে যাওয়ার সময় আপনি যা যা নিয়ে যাবেন।
১: জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি 
২: ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফটোকপি 
৩: তিন কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি
৪: বিদুৎ বিলের ফটোকপি


আরও পড়ুন: 

বিআরটিএ ড্রাইভিং লাইসেন্স লিখিত পরীক্ষার নমুনা প্রশ্ন

গাড়ি/মোটরযানের রং পরিবর্তন করার নিয়ম


ধাপ -(২) 
শোরুম থেকে ডকুমেন্টস গুলো লিখে দিবে যার জন্য আপনাকে অবশ্যই ,আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের সাথে আপনার নাম ঠিকানার বানান (ইংলিশে) ঠিক আছে কিনা মিলিয়ে নিবেন।

ধাপ -(৩)
এই ধাপে আপনাকে মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশনের জন্য গাড়িটি নিকটস্থ ( বি, আর, টি ,এ ) অফিসে নিয়ে যেতে হবে।

প্রথমতঃ বি,আর ,টি এর নির্ধারিত ব্যাংকে নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে।
ব্যাংক জমা দেওয়ার পর অবশ্যই ম্যানি রিসিপ্ট এর সাথে আপনার ইঞ্জিন নাম্বার এবং চ্যাচিস নাম্বার ঠিক আছে কিনা মিলিয়ে নিবেন। এটা অত্যন্ত জুরুরি। 
এর পর বি আর টি এর নির্ধারিত জায়গায় ,মোটরযান পরিদর্শক দ্বারা গাড়িটি পরিদর্শন করাবেন।
বি:দ্র: যদি মিরপুর বি,আর টি এ হয়,তাহলে মটরযান টি বি,আর,টি,এর ২ নং বিল্ডিংয়ের উল্টো পাশে মাঠে রাখবেন। নির্ধারিত সময় একজন মোটরযান পরিদর্শক এসে গাড়ি পরিদর্শন করবেন।

ধাপ-(৪) 
গাড়ি পরিদর্শন হয়ে গেলে আপনার পরিদর্শীত ফাইল টি নিয়ে যে শোরুম থেকে ক্রয় করছেন ঐখান থেকে (BSP- DATA ) করে নিয়ে আসবেন।

ধাপ-(৫) 
BSP ডাটা হয়ে গেলে ঐ ফাইল নিয়ে মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন কর্তৃপক্ষের রুমে নিয়ে যাবেন এপ্রুভালের জন্য।
এপ্রুভ হয়ে গেলে আপনি সাথে সাথে নাম্বার পেয়ে যাবেন।

বি:দ্র: যদি মোটরসাইকেল মিরপুর বি, আর, টি,এর হয় তাহলে (১ নং বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলা ,রুম নং-৩০১ )যাবেন

(এখানে কিছু বিষয় মাথায় রাখবেন,যেমন শোরুম থেকে যখন ডাটা করবেন তখন উল্লেখ করে দিবেন কোন বি,আর, টি এ থেকে রেজিষ্ট্রেশন করবেন।
মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশনের কাজ সম্পন্ন হলে গাড়ির কাগজে ,নাম ঠিকানা সব ঠিক আছে কিনা চেক করে নিবেন। অন্যথায় পরবর্তীতে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়।

BRTA- মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশনের জন্য ফি সমূহ -  

১০১ -১৬৫ সি সি এবং ৯০ কেজির উপরে (২ বছরের জন্য রেজিষ্ট্রেশন ফি ১০১৫২ এবং ১০ বছরের জন্যে ১৯৩৫২ টাক।
১০০- সি সি এবং ওজন ৯০ কেজির উপরে (২ বছরের জন্য রেজিষ্ট্রেশন ফি ৮৮২৯, ১০ বছরের জন্য  ১৮০২৯ টাকা)।
১০০- সি সি ওজন ৯০ কেজির নিচে (২ বছরের জন্য রেজিষ্ট্রেশন ফি ৭৬৭৯ , ১০ বছরের জন্য ১২২৭৯ টাকা)।

মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশনঃ উল্লেখিত নিয়মগুলো ভালভাবে অণূসরণ করলে যে কেউই খুব সহজে মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন।

 

 

  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন