বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষকদের কর্মবিরতির ঘোষণা


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষকদের কর্মবিরতির ঘোষণা
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড.বেনু কুমার দে পদত্যাগের দাবিতে লাগাতার কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে চবি শিক্ষক সমিতি। আজ সোমবার ও আগামীকাল মঙ্গলবার (৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা এবং আগামী বুধবার ও বৃহস্পতিবার (৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারি) ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করবে শিক্ষকরা।

গতকাল রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল হক।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল হক বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয় তুলে ধরে বলেন, উপাচার্য এবং উপ-উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে চবি প্রশাসনিক ভবনের সামনে চলমান প্রশাসনের নানান নিন্দনীয় কার্যক্রম বিষয়ক সংবাদ প্রদর্শনী চলমান থাকবে। এছাড়া আগামীকাল সোমবার ও মঙ্গলবার (৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এবং বুধবার ও বৃহস্পতিবার (৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারি) ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সমিতি বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বাত্মক কর্মবিরতি (পরীক্ষা আওতামুক্ত থাকবে) ঘোষণা করছে।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান ছিদ্দিকী বলেন, আমরা আগেও বলেছি, এখনও বলছি, ৭৩ এর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনকে সমুন্নত রাখার এবং নিয়ম বিধি অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার কথা বলে আসছি। কিন্তু উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য আইনকে বৃদ্ধা আঙ্গুলি দেখিয়ে নিজেদের মতো করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার চেষ্টা করছেন। যার কারণে আজকের এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য সবচেয়ে বড় বাধা।

আইন ও বাংলা বিভাগের নিয়োগ বোর্ড বাতিলের দাবি নিয়ে গত ১৭ ডিসেম্বর শিক্ষক সমিতির নেতারা উপাচার্যের কাছে গেলে একপর্যায়ে কথাকাটাকাটি হয়। পরে নির্বাচন বোর্ড বাতিলের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করে শিক্ষক সমিতি। সেই আন্দোলন পরে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের পদত্যাগ দাবির আন্দোলনে পরিণত হয়। এরপর শীতকালীন ছুটি ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আন্দোলন স্থগিত করে শিক্ষক সমিতি। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর পুনরায় অবস্থান কর্মসূচি, সংবাদ প্রদর্শনীসহ লাগাতার কর্মসূচি পালন করে আসছে সংগঠনটি।

  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন