ফরিদপুর জেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে লিফলেট বিতরণ ও জনসংযোগ অনুষ্ঠিত
মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৫
২২ জানুয়ারী ২০২৪, ৫:২০ অপরাহ্ণ
রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে জান্নাতুল ফেরদৌস নামের এক নারী ও তার পরিবার।
আজ বিকেল চারটায় নগরীর রানীবাজার এলাকায় অবস্থিত জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন করেন সেই ভুক্তভোগী পরিবার।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, গত ১৯ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৮ টা ৩০ মিনিটে আমার লক্ষীপুর কাঁচা বাজার তাহাসিন হাজির ভাড়া বাড়িতে হঠাৎ মহানগর গোয়েন্দা শাখার এস আই মিজার কনস্টেবল তৌহিদসহ আরও ১০ থেকে ১৫ জন পুলিশ সদস্য পুরো বাড়ি ঘিরে ফেলে এবং বাসায় প্রবেশের দরজায় এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও দরজা ভাঙ্গার জন্য লাথি মারতে শুরু করে।
যার ভিডিও আমাদের কাছে সংরক্ষিত আছে। এসময় তারা বাসায় মাদকের বড় চালান আছে বলে দরজা খোলার কথা বললে আমরা স্থানীয় লোকজন ও কাউন্সিলরকে ডাকার কথা বললে তারা আরও উত্তেজিত হয়ে দরজার ওপরের অংশ ভাঙতে শুরু করে।
এমনটি দেখে আমরা ভয়ে দরজা খুলে দেই। এসময় তারা বাসায় প্রবেশ করে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আমাকে মারতে তেরে আসে, পরে আমার ভাই নাজমুল তাকে বাধা দিলে আমার ভাইকে তারা চর থাপ্পর ও ইন্ডিয়া থেকে চিকিৎসা করা বাম হাতে স্বজরে আঘাত করে।
এরপরে তারা পুরো বাড়ি ৩ বার তল্লাসী করে কোন কিছু না পেয়ে ব্যার্থ অভিযান চালিয়ে যাওয়ার সময় আমাকে আমার ভাই নাজমুল ও আমার মা আঙ্গুরাকে হুমকি দিয়ে বলেন রাস্তায় যেখানে পাবে সেখান থেকে তুলে নিয়ে মাদকসহ বড় মামলায় চালান দিবে বলে হুমকি দিয়ে ফিরে যায়।
এর আগে কনস্টেবল তৌহিদ বোয়ালিয়া থানাধীন জাদুঘর মোড়ে আমাকে কুপ্রস্তাব দিয়েছিলেন। আমি তার কুপ্রস্তাব নাকোজ করে দেওয়ায় ডিবির এসআই মিজানকে নিয়ে তৌহিদ আমাকে অবৈধভাবে আটক করে মিথ্যা ফেনসিডিল মামলা দিয়েছিলেন। আমি ও আমার পরিবার তাদের ভয়ে ভিতঅবস্থায় জীবন যাপন করছি।
সংবাদ সম্মেলন শেষে ভুক্তভোগী পরিবার আরএমপি কমিশনার বরাবর আরএমপি গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত এসআই মিজান ও কনস্টেবল তৌহিদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন।