বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

ভোট যুদ্ধে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম ১০ আসন


২৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ৪:৩২ অপরাহ্ণ 

ভোট যুদ্ধে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম  ১০ আসন

চট্টগ্রাম ১০ আসনের ভোটের লড়াই | ছবি: আজকের প্রসঙ্গ

  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

সাফায়েত মোরশেদ, চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ তিন (৩) হেভিওয়েট প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচার প্রচারনায় জমজমাট হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম ১০ আসনের ভোটের লড়াই। এই আসনে নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন মহিউদ্দিন বাচ্চু, তবে বাচ্চুর মাথায় কিছুটা চিন্তার ভাজ ফেলে দিয়েছে স্বতন্ত্র থেকে দাঁড়ানো অপর দু হেভিওয়েট প্রার্থী ফুলকপি মার্কার মনজুর আলম ও কেটলি মার্কা নিয়ে নির্বাচনে লড়াই করা আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদ মাহমুদ। এই আসনের মোট প্রার্থী ৯ জন, তবে বাচ্চু- ফরিদ আর মনজুর এর ত্রিমুখী লড়াইয়ের আগাম বার্তায় সরগরম হয়ে উঠেছে হালিশহর, পাহাড়তলী, ডবলমুরিং,  খুলশী, পাচলাইশের একাংশ নিয়ে গঠিত এই আসন।

নির্বাচনী প্রচার প্রচারনায়ও কেউ যেন কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। নৌকা ফুলকপি আর কেটলির পোস্টার ব্যানারে ভরে উঠেছে অলি গলি,আর প্রধান সড়কগুলো। মহিউদ্দিন বাচ্চুর প্রচারনায় নেমেছেন দলের বড় একটি অংশের নেতাকর্মীরা, অপরদিকে ফরিদ মাহমুদের সাথে রয়েছেন মুক্তি যোদ্ধার সন্তানদের সংগঠন, আওয়ামীলীগ, যুবলীগ আর ছাত্রলীগের একাংশ। আর ধনাঢ্য ব্যাবসায়ী এম মনজুর আলম চলছেন দল মত নির্বিশেষে  সার্বজনীন  ভাবমূর্তি  নিয়ে। কিন্তু তিনজনই প্রয়াত রাজনীতিবীদ এবি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর রাজনৈতিক শিষ্য হিসেবে পরিচিত। তবে এম মনজুরের সাথে মহিউদ্দিন পরিবারের সম্পর্কের মাত্রা টা একটু ভিন্ন। মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের বিদেশি স্ত্রী বিয়ের আগে ধর্মান্তরিত হন। সে সময় উকিল বাবা হয়ে তাকে মেয়ে হিসেবে গ্রহন করে নওফেলের হাতে তুলে দেন মনজুর। তবে মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী ও তার অনুসারীদের বেশিরভাগই সরাসরি মাঠে নেমেছেন বাচ্চুর পক্ষে।

তবে মহিউদ্দিন বাচ্চুর একসময়ের রাজনৈতিক সতীর্থ ফরিদ মাহমুদের নির্বাচনে আসা নিয়ে ও চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা, তবে ধারনা করা  হচ্ছে অভ্যন্তরীন নানা বিভেদ এখানে একটি বড় ফ্যাকট হয়ে দাড়িয়েছে বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা।

সবকিছু ছাপিয়ে বরাবরই আলোচনার তুঙে আছেন এম মনজুর আলম। তার বারবার দল পরিবর্তন একটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে তার ভোটের মাঠে। ২০১০ সালে তিনি বি এনপি থেকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন।

কিন্তু ২০১৫ সালে আ জ ম নাছিরের কাছে নির্বাচনে পরাজিত হবার পর রাজনীতি থেকে বিদায় নেয়ার ঘোষণা দেন তিনি। পরবর্তীতে ৩ বছর আবারো দল পরিবর্তন করে আওয়ামী লীগের রাজনীতি তে সক্রিয় হন্। তবে কাকে ভোট দিবেন এমন প্রশ্ন করা হলে এখনই উত্তর দিতে নারাজ সাধারণ মানুষ শুলক বহর, দক্ষিণ কাট্টলী, সরাইপাড়া, পাহাড়তলী, লালখান বাজার, উত্তর  আগ্রাবাদ, রামপুর,ও উওর হালিশহর নিয়ে চট্টগ্রাম ১০ আসন গঠিত। এই আসনের মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লক্ষ ৬৯ হাজার ২৪৬ জন।

সর্বশেষ তিনবারের সংসদ সদস্য আফসারুল আমিনের মৃত্যুর পর গত ৩০ শে জুলাই এই আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন